(1) What is Run off? Discuss the different types of run off. Describe the different factors of run off.
Ans – Run off :
জলচক্রের একটি অন্যতম উপাদান হল Run off। বৃষ্টিপাতের জল যখন ভূ-পৃষ্ঠ এবং ভূ-অভ্যন্তর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে নদী, হ্রদ বা সমুদ্রের জলের সাথে মিশে যায় সেই প্রক্রিয়াকে Run off বলে।
Types of Run off –
সাধারণত Run off কে তিনটি ভাগে বিভক্ত করা হয়। সেগুলি হল—
(i) Surface run off :
বৃষ্টিপাতের জল যখন ভূ-পৃষ্ঠের উপর দিয়ে ছড়িয়ে প্রবাহিত হয়ে নদী বা হ্রদের জলের সাথে মিশে যায় তাকে পৃষ্ঠপ্রবাহ বা Surface run off বলে।
(ii) Internal flow run off :
বৃষ্টিপাতের জল যখন মৃত্তিকার রন্ধ্র বা ফাঁক দিয়ে Infiltration-এর মাধ্যমে ভূ-অভ্যন্তরে প্রবেশ করে এবং শিলাস্তরের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে নদী বা হ্রদের জলের সাথে মিশে যায়, তখন তাকে Internal flow run off বলে।
(iii) Base flow run off :
শুষ্ক পরিবেশে নদীতে যে স্থায়ী নিম্নস্তরের জলপ্রবাহ দেখা যায় তাকে Base flow run off বলা হয়। এটি ভূগর্ভস্থ জলের ধীর প্রবাহের ফল।
Factors of Run off –
জলের প্রবাহ যেসব বিষয় দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় সেগুলি হল—
(i) Amount of precipitation :
বৃষ্টিপাতের উপর রান অফ নির্ভর করে। বৃষ্টিপাতের পরিমাণ যত বৃদ্ধি পায়, Run off-এর পরিমাণও তত বৃদ্ধি পায়।
(ii) Duration of precipitation :
বৃষ্টিপাতের স্থায়িত্বের উপর রান অফ নির্ভর করে। বৃষ্টিপাতের স্থায়িত্ব যত বেশি হয়, Run off-এর পরিমাণও তত বাড়ে।
(iii) Rate of infiltration :
বৃষ্টির জল ভূ-অভ্যন্তরে প্রবেশ করার প্রক্রিয়াকে Infiltration বলে। Infiltration যত বেশি হবে, Run off তত কম হবে।
(iv) Soil porosity :
মৃত্তিকার রন্ধ্র বা ফাঁক যত বেশি থাকবে, জল তত সহজে প্রবেশ করতে পারবে। এতে ভূগর্ভস্থ প্রবাহ বাড়ে এবং Surface run off কম হয়।
(v) Catchment area :
যে অঞ্চল থেকে নদী ও উপনদীগুলি জল সংগ্রহ করে তাকে Catchment area বলে। Catchment area যত বড় হবে, Run off-এর পরিমাণ তত বেশি হবে।
(vi) Geological structure :
শিলাস্তর যত বেশি ছিদ্রযুক্ত বা Permeable হবে, জল তত বেশি প্রবেশ করবে এবং Run off কমবে। অপরদিকে Impermeable স্তর Run off বাড়ায়।
(vii) Drainage density :
নির্দিষ্ট আয়তনের অববাহিকার নদী-নালার মোট দৈর্ঘ্যকে Drainage density বলে। Drainage density যত বেশি হবে, Run off-এর পরিমাণও তত বৃদ্ধি পাবে।
2) What is Ground water? Describe the different factors of Ground water Recharge?
Ground Water Recharge
জলচক্রের একটি অন্যতম উপাদান হল Ground Water Recharge বা গভীর নিষ্কাষণ। পৃষ্ঠপ্রবাহ বা ভূ-পৃষ্ঠের জল যে পদ্ধতির মাধ্যমে ভূ-অভ্যন্তরে প্রবেশ করে এবং ভূ-গর্ভস্থ জলরাশিতে সঞ্চিত থাকে, তাকে Ground Water Recharge বলে। ভূ-গর্ভস্থ জল প্রবাহণের প্রাথমিক যান্ত্রিক পর্যায় হল গভীর নিষ্কাষণ।
Factors of Ground Water Recharge
গভীর নিষ্কাষণের মূল নিয়ন্ত্রকগুলি হল—
(i) Intensity of Rainfall :
গভীর নিষ্কাষণ বা Ground Water Recharge সম্পূর্ণভাবে বৃষ্টিপাতের তীব্রতা বা পরিমাণের উপর নির্ভর করে। অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত গভীর নিষ্কাষণের হারকে বৃদ্ধি করে।
(ii) Soil Porosity :
মৃত্তিকার মধ্যস্থিত রন্ধ্রের পরিমাণ যত বৃদ্ধি পাবে বা রন্ধ্র যত বেশি হবে, গভীর নিষ্কাষণের হার ততই বৃদ্ধি পাবে।
(iii) Types of Vegetation :
বৃহৎ আকৃতির বৃক্ষ উদ্ভিদের তুলনায় ক্ষুদ্রাকৃতির উদ্ভিদ কম সক্রিয় হলেও, ঘন উদ্ভিদযুক্ত অঞ্চলে গভীর নিষ্কাষণের হার বৃদ্ধি পায়।
(iv) Geological Structure :
গভীর নিষ্কাষণ প্রক্রিয়াটি সঠিকভাবে পরিচালিত হওয়ার জন্য শিলাস্তরের গঠন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। শিলাস্তর যত বেশি ভঙ্গুর বা প্রবেশযোগ্য (permeable) হবে, গভীর নিষ্কাষণের হার তত বৃদ্ধি পাবে।
(v) Topography :
ভূ-প্রকৃতির অন্যতম প্রধান উপাদান ভূমির ঢাল গভীর নিষ্কাষণকে প্রভাবিত করে। ঢাল যত বেশি হয়, তত বেশি পৃষ্ঠপ্রবাহ সৃষ্টি হয় এবং গভীর নিষ্কাষণের হার কমে যায়।
Discuss the Subsidence Theory for the Formation of Coral Reef.
প্রবাল প্রাচীর সৃষ্টির নিমজ্জন তত্ত্ব (Subsidence Theory)
ভূমিকা
১৮৩৭ সালে চার্লস ডারউইন (Charles Darwin) সর্বপ্রথম প্রবাল প্রাচীর সৃষ্টির নিমজ্জন তত্ত্ব (Subsidence Theory) প্রদান করেন। ১৯১৪ সালে ডারউইনের এই তত্ত্বটিকে উইলিয়াম মরিস ডেভিস (W.M. Davis) শক্তিশালী সমর্থন জানান। ডারউইনের মতে, কোনো একটি আগ্নেয় দ্বীপকে (Volcanic Island) ভিত্তি করে তার চারদিকে পর্যায়ক্রমিকভাবে প্রবাল প্রাচীরের উৎপত্তি ঘটে এবং সেই দ্বীপটি ধীরে ধীরে সমুদ্রের নিচে নিমজ্জিত হতে থাকে।
প্রবাল প্রাচীরের পর্যায়ক্রমিক সৃষ্টি (Sequential Formation of Coral Reef)
ডারউইনের মতানুযায়ী, প্রবাল প্রাচীরের উৎপত্তি মূলত তিনটি পর্যায়কে ভিত্তি করে আবর্তিত হয়। পর্যায়গুলি নিম্নরূপ:
১. প্রথম পর্যায়: ফ্রিনজিং রীফ (Fringing Reef)
ডারউইনের মতে, প্রবাল প্রাচীর উৎপত্তির প্রাথমিক অবস্থায় একটি আগ্নেয় দ্বীপ সমুদ্রপৃষ্ঠের উপরে অবস্থান করে। এই আগ্নেয় দ্বীপের চতুর্দিকে প্রবাল পলিপস (Coral Polyps)-এর অবশেষ দ্বারা প্রাচীরের ন্যায় যে ভূমিরূপটি গড়ে ওঠে, তাকেই ফ্রিনজিং রীফ (Fringing Reef) বলা হয়। এই প্রাচীরটি দ্বীপের উপকূলের খুব কাছাকাছি যুক্ত থাকে।
২. দ্বিতীয় পর্যায়: ব্যারিয়ার রীফ (Barrier Reef)
প্রবাল প্রাচীর উৎপত্তির দ্বিতীয় পর্যায়টি হলো ব্যারিয়ার রীফ (Barrier Reef)। ডারউইনের মতানুযায়ী, সমুদ্র তরঙ্গ বা অন্যান্য ভূগাঠনিক (Tectonic) শক্তির প্রভাবে আগ্নেয় দ্বীপটি ধীরে ধীরে নিমজ্জিত (Subsidence) হতে শুরু করে। দ্বীপটি নিমজ্জিত হওয়ার ফলে প্রবাল বৃদ্ধি পেতে থাকে এবং আয়তনে বাড়তে থাকে। এই সময় প্রবাল প্রাচীর এবং নিমজ্জিত আগ্নেয় দ্বীপটির মধ্যবর্তী অংশে যে অগভীর জলাশয় (Shallow Water Body) বা ল্যাগুন (Lagoon) সৃষ্টি হয়, তাকে চিহ্নিত করে প্রাচীরটি উপকূল থেকে দূরে সরে যায়।
৩. তৃতীয় পর্যায়: অ্যাটোল (Atoll)
প্রবাল প্রাচীর উৎপত্তির তৃতীয় এবং চূড়ান্ত পর্যায়টি হলো অ্যাটোল (Atoll)। এই পর্যায়ে, ক্রমাগত ভূগাঠনিক চাপের কারণে আগ্নেয় দ্বীপটি প্রায় সম্পূর্ণভাবে সমুদ্রের নিচে নিমজ্জিত হয়ে যায়। এই নিমজ্জিত দ্বীপটিকে কেন্দ্র করে সমুদ্রপৃষ্ঠের উপরে যে অশ্বক্ষুরাকৃতি (Horseshoe Shaped) বা বৃত্তাকার প্রবাল প্রাচীরের উৎপত্তি ঘটে, সেটিই অ্যাটোল নামে পরিচিত। অ্যাটোল-এর কেন্দ্রে একটি গভীর ও প্রশস্ত ল্যাগুন থাকে।
৪. তত্ত্বের সপক্ষে প্রমাণ (Evidence of the Theory)
ডারউইন তাঁর নিমজ্জন তত্ত্বের সপক্ষে যে সমস্ত যুক্তি বা প্রমাণগুলি দেখিয়েছেন, সেগুলি হলো:
১. অগভীর ল্যাগুন (Shallow Lagoon) এর উপস্থিতি: ডারউইনের মতানুযায়ী, যদি আগ্নেয় দ্বীপগুলির নিম্নগামীতা না ঘটত, তবে প্রবাল প্রাচীরের সঙ্গে যুক্ত ল্যাগুনগুলির অস্তিত্ব থাকত না। আগ্নেয় দ্বীপগুলির নিমজ্জনই এই অগভীর ল্যাগুনগুলির সৃষ্টিকে প্রমাণিত করে।
২. সমুদ্র খাড়া পাড়ের (Sea Cliff) অনুপস্থিতি: ডারউইনের মতে, সমুদ্র উপকূলবর্তী এলাকায় সমুদ্র খাড়া পাড়ের (Sea Cliff) অনুপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। এর কারণ হলো, সমুদ্রপৃষ্ঠের নিচে আগ্নেয় দ্বীপগুলির ক্রমাগত নিমজ্জন। এই নিমজ্জনের ফলেই ওই স্থানগুলিতে সমুদ্র খাড়া পাড়ের অনুপস্থিতি দেখা যায়।
৫. সমালোচনা (Criticism)
ডারউইনের নিমজ্জন তত্ত্বটি নিম্নলিখিত দিকগুলি থেকে সমালোচিত হয়েছে:
১. আগ্নেয় দ্বীপের নিমজ্জন নয়, উত্থান: ডারউইনের মতানুযায়ী আগ্নেয় দ্বীপগুলির নিমজ্জনের ফলে প্রবাল প্রাচীর গড়ে ওঠে। কিন্তু, ১৮৮০ সালে বিজ্ঞানী ডব্লিউ. এম. মারে (J. Murray) তাঁর তত্ত্বে বলেছেন যে, আগ্নেয় দ্বীপগুলি শুধুমাত্র নিমজ্জিতই হয় না, বরং সমুদ্রতরঙ্গের ক্ষয় বা সঞ্চয়ের প্রভাবে অনেক সময় দ্বীপগুলির উত্থান (Upliftment)-ও ঘটে।
২. প্রবাল প্রাচীরের পর্যায়ক্রমিকতার অভাব: ডারউইনের মতানুযায়ী প্রবাল প্রাচীরের উৎপত্তি পর্যায়ক্রমিকভাবে ঘটে। তবে বাস্তবে কিছু প্রবাল প্রাচীর রয়েছে, যাদের উৎপত্তি কোনো পর্যায়ক্রমিক ধারা অনুসরণ করেনি। যেমন: নারাই দ্বীপের (Narai Island) প্রবাল প্রাচীর।
প্রবাল প্রাচীর সৃষ্টির স্থির স্তর তত্ত্ব / নিমজ্জন-বর্জিত তত্ত্ব (Stand Still / Non-Subsidence Theory)
Discuss the Stand Still Theory for Formation op coral reef (Non-Subsidence Theory).
ভূমিকা
১৮৮০ সালে বিজ্ঞানী স্যার জন মারে (Sir John Murray) চার্লস ডারউইনের নিমজ্জন তত্ত্বকে (Subsidence Theory) সমালোচিত করে স্থির স্তর তত্ত্ব বা নিমজ্জন-বর্জিত তত্ত্ব (Non-Subsidence Theory) প্রদান করেন। মারে-এর মতানুযায়ী, প্রবাল প্রাচীরের উৎপত্তিতে আগ্নেয় দ্বীপগুলির নিমজ্জন ঘটে না, বরং সমুদ্র তরঙ্গের আঘাতের ফলে শুধুমাত্র ক্ষয় হয়। মারে দাবি করেন যে, প্রবাল প্রাচীরের উৎপত্তি কোনো পর্যায়ক্রমিক ধারা অনুসরণ করে না, বরং এটি একটি স্থিতিশীল প্ল্যাটফর্মের উপর গড়ে ওঠে।
মারে-এর তত্ত্বের মূল ধারণা (Main Concept of Murray)
মারে তাঁর স্থির স্তর তত্ত্বটিকে তিনটি পর্বে বিভক্ত করে ব্যাখ্যা করেছেন। পর্বগুলি নিম্নরূপ:
১. প্রথম পর্ব: ফ্রিনজিং রীফ (Fringing Reef) গঠন
মারে-এর মতানুযায়ী, সামুদ্রিক অঞ্চলের প্রায় ৮০ মিটার গভীরতায় প্রবাল পলিপস (Coral Polyps)-এর জন্ম ও বৃদ্ধি ঘটে। যে সমস্ত উপকূলীয় অগভীর সমুদ্র বা আগ্নেয় দ্বীপের উচ্চতা ৮০ মিটার-এর ঊর্ধ্বে থাকে, সেগুলিতে সমুদ্র তরঙ্গের আঘাতের ফলে ক্ষয় হয়। এই ক্ষয়ের কারণে সমুদ্রের নিচে একটি সমতল প্ল্যাটফর্ম (Submarine Platform) সৃষ্টি হয়। এই প্ল্যাটফর্মের চতুর্দিকে কোরাল পলিপস-এর দেহাংশ জমা হয়ে প্রাচীরের ন্যায় যে ভূমিরূপটি গড়ে ওঠে, তা হলো ফ্রিনজিং রীফ (Fringing Reef)।
২. দ্বিতীয় পর্ব: ব্যারিয়ার রীফ (Barrier Reef) গঠন
প্রবাল পলিপস-এর সংখ্যা বৃদ্ধি পেতে থাকলে প্রবাল প্রাচীরের আয়তনও বৃদ্ধি পেতে থাকে। মারে-এর মতানুযায়ী, কোরাল পলিপস-এর দেহাবশেষ দ্বারা বৃহত্তম যে সমস্ত প্রবাল প্রাচীর গড়ে ওঠে, সেগুলি ব্যারিয়ার রীফ (Barrier Reef) নামে পরিচিত। কোরাল পলিপস-এর দ্রবণক্রিয়া (Dissolution) এবং সমুদ্র তরঙ্গের আঘাতের ফলে প্রবাল প্রাচীর ও উপকূলবর্তী ভূমির মধ্যবর্তী স্থানে অগভীর ল্যাগুন (Lagoon) সৃষ্টি হয়। প্রাচীরটি সাবমেরিন প্ল্যাটফর্মের প্রান্তে গড়ে ওঠায় এটি উপকূল থেকে দূরে সরে যায়।
৩. তৃতীয় পর্ব: অ্যাটোল (Atoll) গঠন
এই পর্বে, অতিরিক্ত সমুদ্র তরঙ্গের আঘাত এবং অতিরিক্ত হারে কোরাল পলিপস-এর দ্রবণক্রিয়ার ফলে সাবমেরিন প্ল্যাটফর্মের কিছু অংশ দ্রবীভূত হয়ে প্রায় বৃত্তাকৃতি রূপ লাভ করে। এই বৃত্তাকৃতি প্ল্যাটফর্মগুলির চারদিকে প্রাচীরের ন্যায় যে ভূমিরূপটি গড়ে ওঠে, মারে সেগুলিকে অ্যাটোল (Atoll) বলে চিহ্নিত করেছেন। এই অ্যাটোলগুলির কেন্দ্রে একটি ল্যাগুন অবস্থান করে।
৪. সমালোচনা (Criticism)
মারে-এর তত্ত্বটি নিম্নলিখিত দিকগুলি থেকে সমালোচিত হয়েছে:
১. সাবমেরিন প্ল্যাটফর্মের অস্তিত্ব (Existence of Submarine Platform): মারে তাঁর তত্ত্বে ৮০ মিটার গভীরতায় একটি সমতল সাবমেরিন প্ল্যাটফর্মের অস্তিত্বের কথা বলেছেন। কিন্তু, এই প্রকার বৃহৎ ও সমতল ভূমিরূপ সমুদ্রের তলদেশে সর্বত্র লক্ষ্য করা যায় না, যা তাঁর তত্ত্বের একটি প্রধান দুর্বলতা।
২. ল্যাগুনের উৎপত্তি পদ্ধতি: মারে-এর মতে, কোরাল পলিপস-এর দ্রবণক্রিয়া এবং সমুদ্র তরঙ্গের অতিরিক্ত আঘাতের ফলে আগ্নেয় দ্বীপ ও প্রবাল প্রাচীরের মধ্যবর্তী স্থানে গভীর ল্যাগুন-এর উৎপত্তি ঘটে। কিন্তু বাস্তবে দেখা যায়, এই প্রক্রিয়ায় যে ধরনের ল্যাগুন গঠিত হওয়ার কথা, সে ধরনের গভীর ল্যাগুন সব ক্ষেত্রে লক্ষ্য করা যায় না।
৩. ড্রিলিং পরীক্ষার ব্যর্থতা: পরবর্তীকালে, ফিজি ও এলিস দ্বীপপুঞ্জে গভীর ড্রিলিং (Drilling) পরীক্ষা চালানো হয়। এই পরীক্ষার ফলাফল মারে-এর তত্ত্বের চেয়ে ডারউইনের নিমজ্জন তত্ত্বকেই বেশি সমর্থন করেছিল।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন